Latest Viral News For You

Enjoy latest song lyrics International News Tips & tricks Tech news Reviews Bangla news Viral news and lots of

Breaking

Tuesday, May 4, 2021

May 04, 2021

Tui Amar Lyrics (তুই আমার) Rupak Tiary | Maradonar Juto

Tui Amar Lyrics from Maradonar Juto



Tui Amar Lyrics from Maradonar Juto :

Tui Amar Song Is Sung by Rupak Tiary from Maradonar Juto Bengali Movie. Starring: Susmita Chatterjee, Amartya Ray, Joydeep Mukherjee, Sujan Neel Mukherjee, Anirban And Others. Music Composed by Savvy And Song Lyrics In Bengali Written by Prasen.

Song : Tui Amar 
Film : Maradonar Juto
Singer : Rupak Tiary
Music : Savvy
Lyrics : Prasen 
Director : Mainak Bhaumik
Label : SVF Music

Tui Amar Song Lyrics In Bengali :

তুই তুই তুই হয়ে যা না,
ঘুমপাড়ানি কোন এক নিরালা। 

তুই তুই তুই বয়ে যা না,
রাত্রি জাগা কোন সুর লাগাম ছাড়া। 

পুড়ে নিতে আমি জানি
তোর আগুনের আবছায়ায়,
এমনিতেও অভিমানী
তোর কাজলেরা চোখের পাতায়। 

সব মিলিয়ে বুঝে ফেলি
তুই আমার..

তুই তুই তুই হয়ে যা না,
ঘুমপাড়ানি কোন এক নিরালা। 

পেন-পেন্সিলে খুনসুটি গুলো
যদি তোর মনে থাকে,
এই তো সেদিনের রূপকথারা আজ
হাতছানি দিয়ে ডাকে। 

মিথ্যে খেলাঘর সাজিয়েছে বেশ
আমাদের ইচ্ছেগুলো,
সত্যি আর ভুলের বোঝাবুঝি সব
শেষ পথে জলে গেল। 

সব মিলিয়ে বুঝছি আমি হতচ্ছাড়া। 

তুই তুই তুই হয়ে যা না,
সব মিলিয়ে বুঝছি আমি হতচ্ছাড়া,
সব মিলিয়ে বুঝছি আমি হতচ্ছাড়া ..

তুই আমার লিরিক্স - মারাদোনার জুতো :
Tui tui tui hoye ja na
Ghumparani kono ek nirala
Tui tui tui boye ja na
Raatri jaga kono sur lagam chara
Purey nite ami jani
Tor aguner abchayay
Emniteo obhimani
Tor kajolera chokher patay
Sob miliye bujhe feli tui amar

May 04, 2021

Chere Jas Na Lyrics (ছেড়ে যাস না) Rishi Panda Song

Chere Jas Na Lyrics by Rishi Panda



Chere Jas Na Lyrics by Rishi Panda :

Chere Jas Na Song Is Sung by Rishi Panda Bengali Song. Starring: Monalisa, Sudipta, Shreyasi And Subhadeep. Song Lyrics In Bengali Written by Shreyam Acharya.

Song : Chere Jas Na
Vocal, Music & Mixing : Rishi Panda
Lyrics : Shreyam Acharya
Videography : Subhadip Mondal
Concept : Sutadip Pati

Chere Jas Na Song Lyrics In Bengali :

ভালোবেসে, ছোট্ট তারা 
ভীতু ভীষণ, দিশেহারা 
মেঘলা ঠোঁটে, আস্কারা দেয় মন 
অল্প আঁঠায়, ডাকনামে 
প্রেম পাঠালাম, হলদে খামে 
দুপুরের ক্লাসে, লুকোচুরি করে মন 

ছেড়ে যাস না আমায়
দূরে যাস না আমার,
ছেড়ে যাস না আমায়
ভুলে যাস না আমায়।। ​

সন্ধ্যের শহর প্রেমে ডুবে যায় 
চাঁদে মেঘ জমে এসে গালে চুমু খায়,
রূপকথারা মিথ্যে হলে 
ভোরের স্বপ্ন গুলো গল্প বলে যায়। 

জমা থাক যত হাসি তোমার বুকের মলাটে 
ছুঁয়ে বল ভালোবাসি ঠোঁটে লালের জমাটে। 

ছেড়ে যাস না আমায়
দূরে যাস না আমার,
ছেড়ে যাস না আমায়
ভুলে যাস না আমায়।।
চাঁদের সাথে, ছোট্ট তারা 
ঘুমিয়ে যখন, ব্যস্ত পাড়া
বালিশের নিচে আদোরে ফোটাই ফুল 
মেঘের পালক, তুলির টানে 
প্রেম পাঠালাম, কথায় গানে 
দুপুরের ক্লাসে, লুকোচুরি করে মন 

ছেড়ে যাস না আমায়
দূরে যাস না আমার,
ছেড়ে যাস না আমায়
ভুলে যাস না আমায়।।

ছেড়ে যাস না লিরিক্স - ঋষি পণ্ডা :
Bhalobeshe chotto tara
Bhitu bhishon dishehara
Meghla thote askara dey mon
Olpo athay daaknaame
Prem pathalam holde khame
Dupurer class e lukochuri kore mon
Chere jash na amay
Dure jashna amar
Chere jas na amay
Bhule jasna amay

May 04, 2021

কেন্দ্রীয় সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় প্রাণ যাচ্ছে মানুষের, লকডাউন ছাড়া রাস্তা নেই, দাবি রাহুলের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরকারের বিরুদ্ধে কার্যত হাত গুটিয়ে বসে থাকার অভিযোগ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। আজ মঙ্গলবার এক টুইট বার্তায় এই অভিযোগ করেন তিনি। সেই সঙ্গে দাবি করেছেন, করোনার (Corona Virus) অতিমারী রুখতে সম্পূর্ণ লকডাউন ছাড়া পথ নেই। তবে লকডাউনের (Lockdown) নিদান দিলেও গরিব মানুষ যাতে ফের বিপদে না পড়েন তার দাবিও তুলেছেন রাহুল।

[আরও পড়ুন: করোনা কালেও প্রধানমন্ত্রীর নয়া বাসভবন তৈরির কাজ চালু, মিলল পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্রও]

রাহুল টুইটে লিখেছেন, “ভারত সরকার এটা বুঝতেই পারছে না। বুঝতে পারছে না, করোনা সংক্রমণ আটকানোর এক মাত্র রাস্তা হল সম্পূর্ণ লকডাউন।” একই সঙ্গে তিনি ন্যূনতম আয় যোজনা (ন্যায়)-এর সপক্ষে সওয়াল করে বলেন, দরিদ্র শ্রেণির সুরক্ষাও দেখতে হবে। একই সঙ্গে তিনি লিখেছেন, “ভারত সরকারের নিষ্ক্রিয়তা বহু নিরপরাধ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে।”

২০১৯-এর লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তেহারে প্রস্তাব দেওয়া হয়, দেশের অর্থনৈতিক ভাবে সব থেকে পিছিয়ে পড়া ২০ শতাংশ পরিবারের জন্য বার্ষিক ন্যূনতম ৭২ হাজার টাকা আয়ের ব্যবস্থা করা হবে। সেই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয় ন্যূনতম আয় যোজনা বা ন্যায়। সেই প্রকল্পের কথাই টুইটে ফের একবার তুলে ধরেন কংগ্রস নেতা।

[আরও পড়ুন: প্রয়াত জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগমোহন, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর]

এদিকে মঙ্গলবারই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ঘোষণা করেন, আগামী ১৫ মে পর্যন্ত সম্পূর্ণ লকডাউন চলবে রাজ্যে। করোনা সংক্রমণ আটকাতেই মন্ত্রিসভায় আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে টুইট করে জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২২৯ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। প্রাণ হারিয়েছেন ৩,৪৪৯ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ২ লক্ষ ২২ হাজার ৪০৮ জন। তবে চিন্তায় রাখছে অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৩৪ লক্ষ ৪৭ হাজার ১৩৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২০ হাজার ২৮৯ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৬৬ লক্ষ ১৩ হাজার ২৯২ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। এদিকে দৈনিক সংক্রমণ অনেকটা কমেছে মহারাষ্ট্র-সহ কয়েকটি রাজ্যে। তবে জুলাই-আগস্টে সেই রাজ্যেগুলিতে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

May 04, 2021

ভোট মিটতেই ফের কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসকের দায়িত্বে ফিরহাদ হাকিম

কৃষ্ণকুমার দাস: ভোট মিটতেই ফের কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। মঙ্গলবার রাজ্যের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বলা হয়েছে, ফের মুখ্য প্রশাসকের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হচ্ছে ফিরহাদ হাকিমের হাতে। এছাড়া প্রশাসকমণ্ডলীতে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককেই ফিরিয়ে দেওয়া হবে পুরনো দায়িত্ব। 

করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যের বহু পুরসভা এবং পুরনিগমের নির্বাচন সময়মতো করানো যায়নি। যার ফলে মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল প্রাক্তন পুরবোর্ডের সদস্যদের। কিন্তু নাগরিক পরিষেবা যাতে ব্যহত না হয় তা নিশ্চিত করতে অস্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে পুরসভার কাজ পরিচালনা করার জন্য প্রশাসকমণ্ডলী তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার। বিদায়ী মেয়র বা পুরপ্রধানদেরই সেই প্রশাসকমণ্ডলীর মাথায় বসানো হয়। কলকাতা পুরনিগমের মুখ্য প্রশাসক ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। নির্বাচনের আগে কমিশনে গিয়ে বিজেপি অভিযোগ জানিয়ে এসেছিল, নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হওয়ার পরও পুরসভার প্রশাসকরা বিভিন্নভাবে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। পুরসভাগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে ভোটের কাজে। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন জানিয়েছিল, পুরপ্রশাসকের পদ থেকে সরাতে হবে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের। নির্দেশ মেনে ইস্তফা দিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম ও প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য অতীন ঘোষ, দেবাশিস কুমাররা।

[আরও পড়ুন: কয়লা কাণ্ড: সিবিআই দপ্তরে হাজিরা জ্ঞানবন্ত সিংয়ের]

কিন্তু ভোট মিটতেই ফের দায়িত্বে বহাল হলেন ফিরহাদ, অতীন, দেবাশিস কুমার-সহ প্রশাসকমণ্ডলীর সমস্ত সদস্যরা। একইভাবে ১৪১ টি ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর পদে যাঁরা ছিলেন, ফের তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে দায়িত্ব। শুধু তৃণমূল নন, বাম, বিজেপি-সহ সমস্ত দলের যা কো-অর্ডিনেটর ছিলেন প্রত্যেককে কাজে পুনর্বহাল করা হচ্ছে। রাজ্যের তরফে নির্দেশিকা পেয়ে আজ অর্থাৎ মঙ্গলবারই পুরসভা যাচ্ছেন ফিরহাদ হাকিম। এদিনই দুপুর আড়াইটেয় প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। বিকেল ৪ টেয় আরও একটি বৈঠক হওয়ার কথা। ফের মুখ্যপ্রশাসকের পদের দায়িত্ব পেয়ে সংবাদ প্রতিদিনকে ফিরহাদ জানালেন, “মমতাদি বলেছেন কোভিড পরিস্থিতিতে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। তাই ঝাঁপিয়ে পড়েছি।” এদিন কমিশনকে দুষে তিনি বলেন, “কমিশনের মেরুদণ্ড কিনে নিয়েছেন মোদি। এভাবে একদিন সংবিধান ধ্বংস হয়ে যাবে। ওদের দেখিয়ে দেব কাজ করে।”   

May 04, 2021

আশঙ্কাই সত্যি হল, করোনার কোপে চলতি বছর স্থগিত আইপিএল

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আশঙ্কাই সত্যি হল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (SRH) শিবিরে করোনা থাবা বসাতেই এবারের মতো আইপিএল (IPL 2021) স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ভারতীয় বোর্ডের ভাইস-প্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লা জানিয়ে দিয়েছেন, ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারদের সুরক্ষার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত।

[আরও পড়ুন: ‘হাতে চারদিন সময়, যা করার করে নিন’, ফের খুনের হুমকি যোগী আদিত্যনাথকে]

দুই নাইট তারকা কোভিড পজিটিভ হওয়ায় সোমবার স্থগিত হয়েছিল কেকেআর বনাম আরসিবি ম্যাচ। এরপরই শোনা যায়, চেন্নাই সুপার কিংসের শিবিরেও ঢুকে পড়েছে মারণ ভাইরাসটি। ক্রিকেটাররা সুরক্ষিত থাকলেও ফ্র্যাঞ্চাইজির সিইও, বোলিং কোচ ও এক বাসকর্মী করোনা আক্রান্ত। ফলে অনুশীলন বাতিল করে দেয় দল। উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে বুধবার খেলার ইচ্ছা ছিল না ধোনিদের। কারণ যে স্টেডিয়ামে খেলা, সেই দিল্লিতেই পাঁচ গ্রাউন্ড স্টাফও সংক্রমিত। সবমিলিয়ে বেশ চাপে ছিল বিসিসিআই। তাই সংক্রমণ ঠেকাতে বাকি টুর্নামেন্ট একটি শহরেই আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। এ ব্যাপারে নাকি মহারাষ্ট্র সরকারের অনুমতিও চাওয়া হয়েছিল। তাদের তরফে সবুজ সংকেত এলেই মুম্বইয়ে টুর্নামেন্ট স্থানান্তরিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এরই মাঝে আসে দুঃসংবাদ। করোনা আক্রান্ত ঋদ্ধিমান সাহাও।

২ মে থেকেই জ্বর ছিল বাংলার উইকেট কিপারের। যে কারণে হায়দরাবাদের গত ম্যাচে মাঠেও ছিলেন না তিনি। আজ তাঁর দলের খেলার কথা ছিল মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে। তার আগে নিয়ম মেন করোনা পরীক্ষা হয় ঋদ্ধির। প্রথম দু’বার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু তৃতীয়বারের রিপোর্টে জানা যায় তাঁর শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ভাইরাস। এমন পরিস্থিতিতে প্রথমে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড করে দেওয়া হয় আইপিএল। কিন্তু আপাতত জানা যাচ্ছে, এই মরশুমের মতোই স্থগিত হয়ে গেল আইপিএল। সেক্ষেত্রে কীভাবে টুর্নামেন্টের সেরা দলকে বেছে নেওয়া হবে, কিংবা পরবর্তীতে আইপিএলের বাকি ম্যাচ হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

[আরও পড়ুন: মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বিরুদ্ধে লাগাতার ‘বিষোদগার’, সাসপেন্ড কঙ্গনার টুইটার অ্যাকাউন্ট]

May 04, 2021

মাস্ক না পরায় ড্রাম বাজিয়ে অভিনব গণ শাস্তি! বিপাকে প্রশাসনিক কর্তা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে হুহু করে বাড়ছে করোনা (Coronavirus) আক্রান্তের সংখ্যা। তা সত্ত্বেও হুঁশ ফিরছে না আমআদমির। মাস্ক ছাড়াই রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন অনেকে। কারও আবার মাস্ক ঝুলছে থুতনিতে। নিয়ম না মানায় শাস্তির মুখেও পড়তে হচ্ছে তাঁদের। একই কারণে গণহারে শাস্তি দিয়ে বিপাকে পড়লেন মধ্যপ্রদেশের এক প্রশাসনিক কর্তা। ভাবছেন তো বিষয়টা ঠিক কী?

সম্প্রতি নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে মধ্যপ্রদেশের (Madhyapradesh) ইন্দোর বাজারের একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে, রাস্তায় একত্রিত হয়েছেন ২০ জন। মাস্ক না পরায় তাঁদের মধ্যে কাউকে হাঁটুর উপর ভর করে হাঁটতে বাধ্য করছেন এক প্রশাসনিক কর্তা। কাউকে আবার কান ধরে ওঠবোস করতে হচ্ছে। সঙ্গে বাজানো হচ্ছে ড্রাম। অর্থাৎ রীতিমতো উৎসবের মেজাজে দেওয়া হচ্ছে শাস্তি। আর এই অভিনব শাস্তি দেখতে স্বাভাবিকভাবেই ভিড় জমান বহু মানুষ। ফলে মাস্ক না পরার শাস্তি দিতে গিয়ে কোভিড বিধি ভঙ্গ করে ফেলেন প্রশাসনিক কর্তাই। প্রচুর মানুষের জমায়েতের ওই ভিডিও ভাইরাল হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নেটিজেনরা। ওই প্রশাসনিক কর্তার শাস্তির দাবি জানা অনেকে।

[আরও পড়ুন: দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ২ কোটির গণ্ডি, বেড়েই চলেছে অ্যাকটিভ কেস]

বিষয়টি ছড়িয়ে পড়তেই পদক্ষেপ করে ইন্দোর প্রশাসন। এবিষয়ে জেলাশাসক বলেছেন, “এহেন ঘটনা কখনই কাম্য নয়। করোনা রুখতে সকলকে সতর্ক করতে শাস্তি দেওয়া যেতেই পারে। তবে তা কোভিড বিধি লঙ্ঘন করে নয়।” এবিষয়ে অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্তাকে সতর্ক করবেন বলেও জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, দেশজুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিন কমবেশি ৩ লক্ষ মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। অন্যান্যরাজ্যের মতোই ক্রমশ জটিল হচ্ছে মধ্যপ্রদেশের পরিস্থিতিও। তা সত্ত্বেও সচেতন হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। 

[আরও পড়ুন: করোনা কালেও প্রধানমন্ত্রীর নয়া বাসভবন তৈরির কাজ চালু, মিলল পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্রও]

May 04, 2021

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লাগাতার ‘বিষোদগার’, সাসপেন্ড কঙ্গনার টুইটার অ্যাকাউন্ট

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলায় ভোটের রায় বেরনোর আগে থেকে  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লাগাতার ‘বিষোদগার’ করছিলেন কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut)। ফলাফল ঘোষণার পর বঙ্গে হিংসা ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ তুলে একের পর এক পোস্টও করেছিলেন। এমনকী মোদিকে বাংলা ‘সামলানো’র আরজিও জানিয়েছিলেন। তারপরই সাসপেন্ড করা হল বলিউড অভিনেত্রীর টুইটার অ্যাকাউন্টটি।  

[আরও পড়ুন: ১৪১ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ছোটপর্দার জনপ্রিয় এই অভিনেতা]

বাংলায় ভোটের ফলপ্রকাশের দিন টুইটারে বাংলাদেশি আর রোহিঙ্গাদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিলেন বি-টাউনের ‘কন্ট্রোভার্সি ক্যুইন’। শুধু তাই নয়, বাংলাকে কাশ্মীরের সঙ্গেও তুলনা করেন কঙ্গনা। টুইটারে কঙ্গনা লেখেন, “বাংলাদেশি আর রোহিঙ্গারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বড় শক্তি…। যা ট্রেন্ড দেখছি তাতে বাংলায় আর হিন্দুরা মেজরিটিতে নেই এবং তথ্য অনুযায়ী গোটা ভারতবর্ষের তুলনায় বাংলার মুসলিমরা সবচেয়ে গরীব আর বঞ্চিত। ভাল, আরেকটা কাশ্মীর তৈরি হচ্ছে।” এখানেই থামেননি তিনি। ফলপ্রকাশের পর আরও কিছু টুইট করেন।

মাঝে অবশ্য একবার হঠাৎ তৃণমূল নেত্রীর প্রশংসা দেখা গিয়েছিল কঙ্গনার টুইটে। শক্তিশালী রাবণের সঙ্গে মমতার পরাক্রমের তুলনা করেছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে আবার ভোল বদলান অভিনেত্রী। লেখেন, সেই তুলনা করা তাঁর ঠিক হয়নি। তারপরই বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার ছবি তুলে ধরার চেষ্টা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আবেদন জানান, বিষয়টি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করতে। এমনকী মমতাকে ভোটে জিতিয়ে ক্ষমতায় আনার জন্য বাংলার ভোটারদেরও তীব্র কটাক্ষ করেন কঙ্গনা। তাঁর টুইটের ভাষা এবং ভিডিও অত্যন্ত হিংসাত্মক। যা সাম্প্রদায়িক উসকানি দিচ্ছে এবং অশান্তি ছড়াচ্ছে। এই অভিযোগেই সাসপেন্ড করা হল কঙ্গনার অ্যাকাউন্টটি।

উল্লেখ্য, বাংলায় হিংসা আর অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টার অভিযোগে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন হাই কোর্টের আইনজীবী সুমিত চৌধুরী। বিজেপিকে সমর্থন জানাতে গিয়ে বাংলার মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছেন বলিউড অভিনেত্রী বলে দাবি তাঁর। ই-মেল মারফত কঙ্গনার বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি। সব মিলিয়ে বেশ বিপাকে অভিনেত্রী।

[আরও পড়ুন: নির্বাচনে জয়ের খুশির মাঝেই সোহমের পরিবারে দুঃসংবাদ, আত্মঘাতী প্রিয়জন]    

May 04, 2021

‘হাতে চারদিন সময়, যা করার করে নিন’, ফের খুনের হুমকি যোগী আদিত্যনাথকে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘হাতে চার দিন সময়, যা করার করে নিন’, এই একটা মেসেজ এখন  উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) পুলিশের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের একটি বিশেষ দল খুঁজে বার করার চেষ্টা করছে এই মেসেজের উৎসস্থল। আসলে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের আপৎকালীন নম্বরে যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) উদ্দেশে প্রাণনাশের হুমকি মেসেজ আসে। কে পাঠিয়েছে সেই মেসেজ খুঁজে বার কররার চেষ্টা চলছে। তবে এমন খুনের হুমকি যোগীকে এর আগেও দেওয়া হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশ পুলিশের আপৎকালীন নম্বর ‘১১২’-তে ২৯ এপ্রিল মেসেজটি আসে। তারপর সুশান্ত গল্ফ সিটি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এর আগেও এমন হুমকি ফোন বা মেসেজ এসেছে। তা হলেও এবারও এই মেসেজকে মোটেই লঘু ভাবে দেখতে নারাজ উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। একটি নজরদারি দল তৈরি করে অভিযুক্তের খোঁজ চলছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কাউকে খুঁজে বার করা সম্ভব হয়নি।

[আরও পড়ুন: দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ২ কোটির গণ্ডি, বেড়েই চলেছে অ্যাকটিভ কেস]

তবে এর আগে গত বছর সেপ্টেম্বর, নভেম্বর এবং ডিসেম্বরে যোগী আদিত্যনাথকে খুনের হুমকি দিয়ে মেসেজ বা ফোন কল আসে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কাছে। নভেম্বরে এক কিশোরকে পাকড়াও করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। ওই হুমকির পিছনে ছিল এক বছর পনেরোর কিশোর। সেবারও ১১২ নম্বরে মেসেজ করে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। পরে পুলিশ সেই নম্বরের মালিক ওই কিশোরকে খুঁজে বার করে। পরে তাকে আগ্রার এক জুভেনাইল হোমে পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনার (Corona Virus) কারণে স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়। আর তাতেই নাকি ওই স্কুল পড়ুয়া রেগে গিয়ে যোগী আদিত্যনাথকে খুনের হুমকি দিয়ে বসে।

[আরও পড়ুন: দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ২ কোটির গণ্ডি, বেড়েই চলেছে অ্যাকটিভ কেস]

এমনিতে যোগী জেড প্লাস ভিভিআইপি স্তরের নিরাপত্তা পান ২০১৭ সাল থেকেই। দেশের যেখানেই যান তাঁর সঙ্গে ২৫-২৮ জনের একটি কমান্ডো বাহিনী থাকে। সিআইএসএফের একটি শক্তিশালী দল তাঁকে সব সময় ঘিরে রাখে। এমনকী তাঁর অফিস এবং বাসভবনেও একই নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।

May 04, 2021

করোনা কালে অনাড়ম্বর বিয়ে, চূড়ান্ত সংকটে ক্যাটারিং ব্যবসা

স্টাফ রিপোর্টার: বাড়ি ভাড়া, ক্যাটারার, নিমন্ত্রণের পর্ব, আলো, সানাই, সবই প্রস্তুত ছিল। কিন্তু সবই এখন বাতিল করতে হয়েছে। যে কোনও অনুষ্ঠানবাড়িতেই ৫০ জন নিমন্ত্রিতের সংখ্যা বাঁধলেও ঝুঁকি নিতে নারাজ বরকর্তা থেকে কনের বাবা, প্রত্যেকেই। “দেখলেন না ত্রিপুরায় কী হল! দরকার কী লোক খাইয়ে বিপদ ডেকে।” সকলেরই এক বক্তব্য। আর বিয়েবাড়িতে এই করোনা আতঙ্কই আজ ভাত কাড়ছে ক্যাটারিং ব্যবসায় যুক্ত মানুষগুলোর।

মে, জুন এবং জুলাই মাসে একগুচ্ছ বিয়ের তারিখ। কিন্তু কোথায় কী! করোনা আবহে চতুর্দিকে চলছে বিয়ে বাতিলের হিড়িক। যেগুলো হচ্ছে সেগুলোও ওই রেজিস্ট্রিতে নমো নমো করে। গত বছরের শেষ দিক থেকে করোনা (Corona Virus) কিছুটা কমায় বিয়ের তারিখ দেখে অনেকেই বিয়ে ঠিক করেছিলেন ছেলে-মেয়ের। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়েই সব ওলটপালট। বাড়িভাড়া থেকে ক্যাটারিং অনেকেরই অ্যাডভান্সের টাকা গচ্চা গিয়েছে। কিন্তু বাতিল হয়েছে বেশিরভাগ বিয়েই। ফলে হাল খারাপ ক্যাটারিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত লোকজনের। পয়লা বৈশাখের দিন হালখাতা করে ওঁদেরও নতুন বছর শুরু হয়। এপ্রিল থেকে আগস্ট আবার নভেম্বর থেকে মার্চে গোটা বছরের বুকিং আসতে থাকে নতুন খাতার পাতায় পাতায়। কিন্তু এ বছরটা একটা পাতাতেও পেনের আঁচড় পড়েনি। উলটে গতবছরের বুকিংও বাতিল হয়েছে। মালিকের যেমন-তেমন অবস্থা হলেও বাড়িতে হাঁড়ি চড়ছে না সেই ছেলেগুলোর, যাঁরা আমার-আপনার পাতে উৎসব অনুষ্ঠানে মাটন বিরিয়ানি বা চিকেন চাঁপ সাজিয়ে দিয়ে যান। ওঁরা মানে, ছোট বা মাঝারি, ক্যাটারিং সংস্থায় যাঁরা খাবার পরিবেশনের কাজ করেন, তাঁরা।

[আরও পড়ুন: মমতার দুরন্ত জয়ে কর্মসংস্থান-শিল্পোন্নয়ের আশা দেখছে বঙ্গের শিল্পমহল]

বিয়ে, অন্নপ্রাশন, জন্মদিন আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত একটা বুকিংও নেই ওঁদের। উলটে এবছর মার্চ থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত যে বুকিংগুলো গতবছর করা ছিল সেগুলোও অধিকাংশই বাতিল হয়েছে। গতবছরও একই পরিস্থিতি গিয়েছে। ফলে অনেকেই এই ব্যবসা ছেড়ে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন। তারিখ মেনে কিছু বিয়ে হচ্ছে গোটা রাজ্যেই। কিন্তু তা রেজিস্ট্রি করে। বড়জোর পুরোহিত এসে মালাবদল আর মন্ত্রোচ্চারণ করাচ্ছেন। কোনওমতে নমো নমো করে চার হাত এক করে দেওয়া। আত্মীয়-পরিজন, পাড়াপড়শি, বরযাত্রী-কনেযাত্রী- এসবই এখন অতীত। নিমন্ত্রিতরাও কে কোথা থেকে কীভাবে অনুষ্ঠানে আসবেন সেই আশঙ্কায় আর নিমন্ত্রণ করছেন না কেউ। যদি কেউ সংক্রমণ নিয়েই ঘুরে বেড়ান! তবে সব মাটি।

যাঁরা গতবছর বুক করেছিলেন এবছর বিয়ের জন্য, তাঁরা প্রত্যেকেই বুকিং বাতিল করছেন। আর নতুন করে আগামী বারের জন্য কেউ বুকও করছেন না। ফলে এক অদ্ভুত সংকটে ক্যাটারিং ব্যবসা। গোটা রাজ্যে কয়েক হাজার মানুষ এই ক্যাটারিং ব্যবসা (Catering Business) চালান। কারও ছোট আবার কারও বা বড়। আবার তাঁদের এই ব্যবসার সঙ্গে অন্তত ২০ থেকে ৩০ জন করে যুক্ত থাকেন। এঁরা অধিকাংশই অনুষ্ঠানপিছু টাকা পান। কাজ নেই তাই আয়ও নেই। এঁরাই পড়েছেন সবথেকে বেশি সংকটে। কেউ একটা অনুষ্ঠানে পান ২০০ টাকা আবার কেউ ৫০০-১০০০ টাকাও। তাঁরা প্রত্যেকেই এখন কর্মহীন।

[আরও পড়ুন: ৬ মে দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ অংশে বন্ধ থাকবে পানীয় জল সরবরাহ]

শ্যামবাজারের কাছে এক ক্যাটারিং সংস্থার কর্ণধার সুদর্শন নিয়োগী বলছেন, “যিনি বিয়েতে ৫০০-৬০০ নিমন্ত্রিত আয়োজন করেছিলেন, তিনিই এখন ৪০, ৫০ জনের খাবার অর্ডার করছেন। কিন্তু অত কম লোকের আয়োজন করতে গেলে পড়তায় আসবে না। তাই লোকাল কাউকে দিয়ে করিয়ে নিতে বলছি। বা হোটেল থেকে খাবার অনিয়ে নিতে। সারা বছরের ব্যবসা এবারও শেষ হয়ে গেল।”

May 04, 2021

কয়লা কাণ্ড: সিবিআই দপ্তরে হাজিরা জ্ঞানবন্ত সিংয়ের

সুব্রত বিশ্বাস: কয়লা কাণ্ডে সিবিআইয়ের তলবে সাড়া দিয়ে মঙ্গলবার সকালে কলকাতায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির নিজাম প্যালেসের দপ্তরে এলেন রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি জ্ঞানবন্ত সিং।

[আরও পড়ুন: তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে, উত্তপ্ত কেতুগ্রাম]

এদিন সকাল সাড়ে ছ’টার মধ্যেই সিবিআই দপ্তরে চলে আসেন জ্ঞানবন্ত। সাড়ে আটটা নাগাদ তিনি বেরিয়ে যান। মূলত এত সকালে কাউকেই হাজিরা দিতে দেখা যায়নি। সিবিআই সূত্রে বলা হয়েছে, সোমবার রাতে জ্ঞানবন্ত সিং সিবিআই আধিকারিকদের জানান, যেহেতু তিনি ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটির দায়িত্বে রয়েছেন, তাই তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় তদারকি করতে হয়। ফলে মঙ্গলবার সারাদিন তিনি কাজে ব্যস্ত থাকবেন। সকালের দিকে তিনি সময় দিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা প্রস্তাবে রাজি হলে তিনি খুব সকালে নিজাম প্যালেসে হাজির হন। সেই সময় দপ্তরে শীর্ষ সিবিআই আধিকারিকরা উপস্থিত না থাকায় বিশেষ জেরা করা হয়নি তাঁকে। ফলে তাঁর জমা দেওয়া নথি খতিয়ে দেখে ফের সমন পাঠাতে পারে সিবিআই বলে খবর। এদিন প্রায় দু’ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তিনি বেরিয়ে যান। সম্প্রতি কয়লা পাচারে একাধিক পুলিশ আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর নাম উঠে আসে বলে সূত্রের দাবি। বিষয়টি স্পষ্ট করতে তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই। 

উল্লেখ্য, রাজ্যে কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তভার পাওয়ার পরপরই বেশ তৎপরতার সঙ্গে কাজে নেমেছে সিবিআই। মূল চক্রীদের হদিশ পেয়ে তাদের নাগালে এনে দ্রুতই এর কিনারা করতে চান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই অন্যতম মূল পাণ্ডা ব্যবসায়ী অনুপ মাজি ওরফে লালাকে জালে এনেছে সিবিআই। আরেক চক্রী বিনয় মিশ্র এখনও অধরা। তাঁর ভাই বিকাশ মিশ্রকে গ্রেপ্তারের পর হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব চালানো হচ্ছে। এছাড়া রাজ্যে কয়লা খনি অধ্যুষিত জেলাগুলির তৎকালীন পুলিশ আধিকারিকদের কাছে থেকেও তথ্য পেতে তাঁদেরও জেরা করা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে।

[আরও পড়ুন: বিস্বাদ তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেল! জামানত জব্দ মীনাক্ষী-ঐশী থেকে অশোক-মান্নানদের]